মঙ্গলবার ২১ নভেম্বর ২০১৭


ফারুকী শুনে উৎসাহিত হন পার্নো


সংবাদ সমগ্র - 23.10.2017

‘গত বছর জানুয়ারিতে। (প্রযোজক) হিমাংশু ধানুকাই আমায় ফোন করে বলেছিলেন ছবির (ডুব) কথা। প্রথমে খুব একটা ভালো করে বুঝিনি ব্যাপারটা কী। আমি বলেছিলাম ইন্টারেস্টিং স্ক্রিপ্ট হলে নিশ্চয়ই করব। কিন্তু পরে যখন শুনলাম (মোস্তফা সরয়ার) ফারুকী পরিচালক, তখন উৎসাহিত হয়েছিলাম। আমি তার আগে ফারুকীর কোনো ছবি না দেখলেও আমার বন্ধুবান্ধবদের মুখে ওর নাম অনেকবার শুনেছিলাম। জানতাম ওর কাজের সুনাম রয়েছে।’

মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ‘ডুব’-এ যুক্ত হওয়া প্রসঙ্গে কথাগুলো বলছিলেন পার্নো মিত্র। কলকাতার এ অভিনেত্রী সিনেমাটির অন্যতম প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম এবেলাকে তিনি আরো বলেন, ‘পরে হিমাংশু যখন বললেন, ইরফান খান রয়েছে ছবিটায়, আমি বলে দিয়েছিলাম স্ক্রিপ্ট পড়ার দরকার নেই, ছবিটা করব।’

যার নাম শুনে স্ক্রিপ্টও পড়লেন না, তার সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা কেমন?— এমন প্রশ্নে বললেন, ‘আমি শুধু হাঁ করে ওকে দেখতাম। পর্দায় জাদু তৈরি করতে পারে ও! মাঝে মাঝে মনে হতো, ও যেন সত্যিই জাভেদ (ইরফানে চরিত্র)। অভিনেতা হিসেবে আমার কাজই মানুষকে অবজার্ভ করা। সেটাই করেছি। হয়তো কিছু শিখলাম ওকে দেখে। যেটা এই মুহূর্তে নিজেও বুঝতে পারছি না।’
ছবিতে আপনি তো ইরফানের দ্বিতীয় স্ত্রী?— পার্নোর উত্তর, ‘আসলে আমি ওর মেয়ে সাবেরীর প্রিয় বন্ধুও। ছোট থেকে যে সাবেরীর জীবনটা পেতে চেয়েছে। কিন্তু সেটা না পেরে জাভেদের প্রেমে পড়ে বিয়ে করে। চরিত্রটা খুবই ইম্‌ম্যাচিওর এবং নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে।’
তিনি আরো বলেন, ‘সকলেই কোনো না কোনো কারণে নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে। আমরা সকলেই অন্য কাউকে কোনো না কোনো কারণে হিংসে করি। আমিও তো জীবনে কত বোকামি করেছি! সেই ইমোশনগুলো টেনে এনে অভিনয়ের সময় ব্যবহার করতে হয়। তাছাড়া পরিচালক তো রয়েছেনই বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য।’

ট্রেলারে দেখা যাচ্ছে আপনি বাঙাল ভাষায় কথা বলেছেন। কীভাবে প্রস্তুতি নিয়েছিলেন?— এ প্রশ্নে বলেন, “চেষ্টা করেছি। কতটা হয়েছে জানি না। ফারুকী আমায় এখানে একটা স্ক্রিপ্ট দিয়ে গিয়েছিলেন। ছবি শুরু হওয়ার আগে স্কাইপে আমাদের অনেক মিটিং এবং ওয়ার্কশপ হয়েছিল। উনি বলে দিয়েছিলেন আমায় কীভাবে কোন জায়গাটা বলতে হবে। সো আই হ্যাভ ট্রায়েড ভেরি হার্ড। বিষয়টা আমাদের জন্য বেশ কঠিন। কিন্তু ইরফান তো দিব্যি বলল। ও ‘নেমসেক’এ যে ইংরেজিটা বা কথা বলার টানটা ব্যবহার করেছিল ওটাই এখানেও করেছে। ওরটা বেরিয়ে যাবে। ইরফান যা-ই বলবে লোকের ভালো লাগবে। ওকে কেউ কিছু বলবে না। কিন্তু আমি ভুল করলেই লোকে ধরবে। তাই খুব চেষ্টা করেছিলাম।”
বাংলাদেশে দৃশ্যায়নের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে বলেন, ‘ইন্ডাস্ট্রি হিসেবে বাংলাদেশ এখনো অনেকটাই নতুন। বেশ কিছু জিনিস হয়তো একটু অগোছাল, তবে ধীরে ধীরে ঠিক হয়ে যাবে। আমার ছবির শ্যুটিং চলেছিল টানা ৪০ দিন ধরে। এখান থেকেও একটা ক্রিউ গিয়েছিল। এই প্রথম আমার খুব হোমসিক লেগেছিল। তবে তিশা (নুসরাত ইমরোজ তিশা, সাবেরীর চরিত্রে) খুব সুইট। আমায় ওদের বাড়িতে মাঝে মাঝেই ডেকে খাওয়াত।’




Loading...
সর্বশেষ সংবাদ


Songbadshomogro.com
Contact Us.
Songbadshomogro.com
452, Senpara, Parbata, Kafrul
Mirpur, Dhaka-1216


close