সোমবার ১১ ডিসেম্বর ২০১৭


রাজ্জাক ভাইয়ের সাথে সহজ হতে পারছিলাম না : ববিতা


সংবাদ সমগ্র - 22.08.2017

নায়করাজ রাজ্জাক প্রথমে ববিতার বাবা, পরে প্রেমিকের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। এ জুটি অসংখ্য ব্যবসাসফল ছবি উপহার দিয়েছেন। এফডিসিতে কিংবদন্তি নায়কের শেষ বিদায়ের মুহূর্তে মঙ্গলবার সকালে স্মৃতিচারণ করলেন ববিতা।

জানালেন, প্রথমবার রোমান্টিক সিনেমায় অভিনয় করতে গিয়ে রাজ্জাকের সঙ্গে সহজ হতে পারছিলেন না।
তিনি বলেন, “রাজ্জাক ভাইয়ের সাথে আমার অভিনয় ক্যারিয়ারের শ্রেষ্ঠ ছবিগুলো করেছি। তার সাথে ‘সংসার’-এ পিতা-কন্যার ভূমিকায় অভিনয়ের পর ‘শেষ পর্যন্ত’-এ প্রেমিকার অভিনয় করতে ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানোর পর কিছুতেই সহজ হতে পারছিলাম না। কীভাবে হবো বলেন? আমার বয়সই বা কত— কিশোরী, চুলে বেণী করি। যাই হোক জহির (রায়হান) ভাই আমাকে এসে ধমক দিলেন। ভয়ে ভয়ে অভিনয়টা করলাম।”
‘শেষ পর্যন্ত’ ছবিতে অভিনয়ের পর নায়িকা হিসেবে বারো হাজার টাকা পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন ববিতা। সে স্মৃতিচারণ করলেন এভাবে— ‘পারিশ্রমিকের টাকা দিয়ে আমি একটা টয়োটা গাড়ি কিনলাম। সে গাড়িতে করে রাজ্জাক ভাই, জহির ভাই, আমরা সবাই মিলে হলে গেলাম— মানুষ ছবিটা দেখছে কিনা, কতটা পছন্দ করেছে জানতে। সে সময়ে উর্দু আরেকটা ছবি চলছিল। তার সাথে পাল্লা দিয়ে আমাদের ছবি অনেক ব্যবসা করেছিল। শো শেষে বাসায় ফিরলাম, ফিরেই জানলাম আমার মা মারা গিয়েছেন।’
জহির রায়হানের হাত দিয়ে উত্থান রাজ্জাক-ববিতার। তাই তাদের পরিবারের একজন সদস্যের মতো হয়ে গিয়েছিলেন রাজ্জাক। ববিতা বলেন, ‘রাজ্জাককে আমি যখন-তখন যেকোন সমস্যায় পড়লে ফোন দিতাম। তিনি কত জটিল সমস্যার সমাধান দিয়েছেন বলে শেষ করতে পারব না। তিনি একজন মেন্টর, দার্শনিক ছিলেন।’
ববিতা বলেন, ‘রাজ্জাক ভাই একাই একটা প্রতিষ্ঠান ছিলেন। চলচ্চিত্রের এ দুর্দিনে তার অনেক বেশি প্রয়োজন ছিল। এ ক্ষতি অপূরণীয়।’
আরো জানান, নায়করাজ প্রযোজিত ও পরিচালিত অধিকাংশ ছবির নায়িকা ছিলেন তিনি।




Loading...
সর্বশেষ সংবাদ


Songbadshomogro.com
Contact Us.
Songbadshomogro.com
452, Senpara, Parbata, Kafrul
Mirpur, Dhaka-1216


close