শুক্রবার ২০ অক্টোবর ২০১৭
  • প্রচ্ছদ » Box 1 » সরকারের দাবি নাকচ: রামপাল প্রশ্নে সিদ্ধান্তে অটল রয়েছে ইউনেস্কো


সরকারের দাবি নাকচ: রামপাল প্রশ্নে সিদ্ধান্তে অটল রয়েছে ইউনেস্কো


সংবাদ সমগ্র - 31.07.2017

রামপাল প্রশ্নে সিদ্ধান্তে অটল রয়েছে জাতি সংঘের সংস্থা ইউনেস্কো। আমাদের যুক্তি মেনে নিয়েছে ইউনেস্কো সরকারের এমন বক্তব্যের আর কোন গুরুত্ব রইলো না।জাতিসংঘ সংস্থা ইউনেসকো সুন্দরবনের কাছে রামপালে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যাপারে সরে এসেছে বলে সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হলেও ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ কমিটির সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তের সঙ্গে তা মিলছে না। প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল জুলাইয়ের শুরুতে হেরিটেজ কমিটির শুনানিতে অংশ নেন। প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানী উপদেষ্টা তৌফিক-ই-এলাহী বলেছিলেন আমরা ইউনেস্কোকে বোঝাতে সক্ষম হয়েছি বলেই তারা তাদের অবস্থান থেকে সরে এসেছে।


ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ কমিটির সভা শেষে দেশে ফিরে ঢাকায় এক মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে ‘ইউনেসকোর সরে আসা’ প্রসঙ্গে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেন তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী।২০১৬ সালের মার্চে ইউনেসকোর একটি প্রতিনিধি দল প্রকল্প এলাকা সরেজমিন পরিদর্শন করেন। পরে যে প্রতিবেদন তারা জমা দেয়, তাতে রামপালকে সুন্দরবনের জন্য ‘মারাত্মক হুমকি’ হিসেবে বর্ণনা করে প্রকল্পটি বাতিল বা অন্য স্থানে সরিয়ে নিতে বলা হয়েছিলো। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, সুন্দরবনের যাতে ক্ষতি না হয়, তার সব ব্যবস্থাই নেয়া হচ্ছে।তিনি সেদিন বলেন, “ইউনেসকো আগে প্রকল্প বন্ধ করতে বলেছিল। সুন্দরবন এলাকায় রামপালসহ সব অবকাঠামো উন্নয়ন বন্ধ রাখতে বলেছিল। এখন রামপালের বিষয়ে সেই কথা তারা তুলে নিয়েছে। কিন্তু পরিশেষে ইউনেস্কো জানিয়ে দিয়েছে যে তারা রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যাপারে মত বা সিদ্ধান্ত মোটেও বদলায় নি।
কয়লাভিত্তিক ওই বিদ্যুৎকেন্দ্র হলে সুন্দরবনের পরিবেশ ও প্রতিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে দাবি করে পরিবেশবাদীদের একটি অংশ শুরু থেকেই রামপাল প্রকল্পের বিরোধিতা করে আসছে। সরকারের ওই দাবি নিয়ে সে সময় সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রবিরোধী আন্দোলনকারীদের একটি সংগঠন তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ।
তিনি বলেন, “আমরা আগে থেকেই বলে আসছি, অসততা ও একগুয়েমি করে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র করতে চাইছে সরকার। আমরা এখন চাইব, ইউনেস্কোর এই প্রতিবদন প্রকাশের পর সরকার রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে সরে আসবে এবং যেসব অবকাঠামো নির্মাণের পরিকল্পনা হচ্ছিল, সেখান থেক সরে এসে সুন্দরবনকে রক্ষার নীতিমালা প্রণয়ন করবে।”
পরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, দীর্ঘ আলোচনার পর হেরিটেজ কমিটি যথাযথ পদক্ষেপ নেয়ার মাধ্যমে সুন্দরবনের উপর ক্ষতিকর প্রভাব এড়িয়ে বাংলাদেশ সরকার পরিকল্পিত স্থান রামপালে বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণকে ‘অনুমোদন করেছে’।




Loading...
সর্বশেষ সংবাদ


Songbadshomogro.com
Contact Us.
Songbadshomogro.com
452, Senpara, Parbata, Kafrul
Mirpur, Dhaka-1216


close