বুধবার ২৩ অগাস্ট ২০১৭


বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে শ্রম অসন্তোষ বাড়ছে


সংবাদ সমগ্র - 24.05.2017

জ্বালানি খাতের বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান শেভরনে শ্রম অসন্তোষ বেশ পুরনো। ২০১৫ সালে শ্রমিক ইউনিয়ন গঠন নিয়ে প্রতিষ্ঠানটিতে অসন্তোষ দেখা দেয়। ব্যবসা বিক্রির প্রক্রিয়া শুরুর পর তা বর্ধিত মাত্রা পায়। সর্বশেষ গতকাল শেভরন এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সদস্যসহ অন্য কর্মীরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে থাকেন। একপর্যায়ে কিছু কর্মীকে কার্যালয়ে আটক রাখার ঘটনাও ঘটে।


কর্মী অসন্তোষ রয়েছে সিমেন্ট খাতের বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান হোলসিমেও। মজুরিসহ বেশকিছু দাবিতে কোম্পানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেন শ্রমিক প্রতিনিধিরা। তার পরও বিষয়টির মীমাংসা না হওয়ায় গত ২৩ মার্চ শ্রম পরিদপ্তরে বিরোধ নিষ্পত্তির আবেদন করে হোলসিম সিমেন্ট লিমিটেডের কর্মচারী ইউনিয়ন।
শেভরন, হোলসিমের মতোই শ্রম অসন্তোষ রয়েছে বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনাকারী অন্যান্য বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানেও। এর মধ্যে টেলিকম খাতের প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন ও বাংলালিংক যেমন রয়েছে, একইভাবে রয়েছে ফুটওয়্যার খাতের প্রতিষ্ঠান বাটা সু কোম্পানিও। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শ্রম অধিকার নিয়ে সচেতনতা আগের চেয়ে বেড়েছে। এর প্রভাবে দেশীয় প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানেও শ্রম অধিকার নিয়ে অসন্তোষ বাড়ছে।
জানতে চাইলে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক বণিক বার্তাকে বলেন, শ্রম অসন্তোষ বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। বহুজাতিক বা দেশীয় প্রতিষ্ঠানে শ্রম অধিকার আদায়ের বিষয়গুলো এখন অনেক বেশি দৃশ্যমান। এর প্রধান কারণ হলো শ্রম আইন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি। কোনো প্রতিষ্ঠানে অসন্তোষ দেখা দিলে আইন অনুযায়ীই তার সমাধান হবে। আর আইন অনুযায়ী সমাধান হচ্ছে কিনা, তা দেখার দায়িত্ব সরকারের এবং তা দেখাও হচ্ছে।
জানা গেছে, শেভরনে শ্রম অসন্তোষ বড় আকার ধারণ করতে থাকে কোম্পানির বাংলাদেশের ব্যবসা বিক্রির খবরে। চীনা প্রতিষ্ঠানের কাছে ব্যবসা হস্তান্তর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার খবরে শেভরনের কর্মীদের মধ্যে ছাঁটাই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পাওনা নিয়ে প্রায় ৬০০ কর্মীর মধ্যে অসন্তোষের মাত্রা বাড়তে থাকে।
২২ মে শেভরন এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন সরকারের তরফ থেকে ব্যবসা বিক্রির বৈধ অনুমোদনের দলিল দাবি করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে শেভরন ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ গতকাল কর্মীদের শান্তিপূর্ণভাবে কাজ করার অনুরোধ জানায়। অন্যথায় প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন ধারা অনুসরণ করে চাকরি থেকে অব্যাহতির পরোক্ষ হুমকিও দেয় তারা। এর প্রতিবাদে ইউনিয়ন সদস্যসহ সব কর্মী বিক্ষোভ প্রদর্শন করলে আবারো ভয়ভীতি দেখানো হয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শেভরন কর্মীরা কাজ বন্ধ করে দেয়ার সমন্বিত সিদ্ধান্ত নেন এবং পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দেন এবং কাজ অব্যাহত রাখতে শেভরন কর্মীদের অনুরোধ জানান।
শেভরন এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক এসএম শাহরিয়ার আবেদিন বলেন, ব্যবসা হস্তান্তর প্রক্রিয়ার বৈধতা সম্পর্কে আমরা জানতে চাই। আমাদের দাবিদাওয়াগুলোর মধ্যে আরো আছে ন্যূনতম তিন বছরের জন্য চাকরির নিশ্চয়তা, অর্জিত গ্র্যাচুইটি ও বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠান থেকে একটি অখ্যাত প্রতিষ্ঠানের কর্মীতে পরিণত হওয়ার জন্য সামাজিক ক্ষতিপূরণ। এসব দাবির বিপরীতে এখন চাকরিচ্যুত করা হবে এমন ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে আমাদের। শেভরনের সব কর্মীই স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাদের যৌক্তিক অধিকার আদায়ের চেষ্টা করছেন।
হোলসিম শ্রমিক প্রতিনিধি সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি মজুরি নির্ধারণকে কেন্দ্র করে বেশকিছু দাবি তোলেন হোলসিমের শ্রমিকরা। মৌখিকভাবে তারা মোট ১২টি দাবি জানান কোম্পানি কর্তৃপক্ষের কাছে। পরে লিখিতভাবে মোট ২৭টি দাবি তোলা হয়। একাধিক বৈঠকেও এর সুরাহা না হলে বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য শ্রম পরিদপ্তরের দ্বারস্থ হন শ্রমিকরা। এর পর তিন পক্ষের মধ্যে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সরকারপক্ষের হস্তক্ষেপে ২৭টির মধ্যে কিছু দাবি হোলসিম কর্তৃপক্ষ মেনে নিলেও মজুরি নির্ধারণের বিষয়টি এখনো অমীমাংসিতই রয়ে গেছে।
এ বিষয়ে জানতে ই-মেইলে যোগাযোগ করা হলে হোলসিমের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কয়েক মাস আগে একটি ট্রেড ইউনিয়ন গঠন হয়। এর পর তারা কর্তৃপক্ষের কাছে ভবিষ্যত্ মজুরি ও অন্যান্য সুবিধার মতো বিষয় উত্থাপন করে। এটি একটি আনুষ্ঠানিক ও নিয়মিত কর্মসংস্থান প্রক্রিয়া এবং দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির অংশ। শ্রম পরিদপ্তরের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী এগুলো নিষ্পত্তির পর্যায়ে রয়েছে।
মজুরি ছাড়া অন্যান্য আইনি সুবিধা নিয়ে বিরোধ আছে কিনা জানতে চাইলে হোলসিমের পক্ষ থেকে বলা হয়, তাদের শ্রমিকরা নিবেদিত কর্মী। তারা বেতনের অতিরিক্ত কিছু ভাতার অনুরোধ জানিয়েছেন। পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সুরাহার বিষয়ে আন্তরিক কোম্পানি কর্তৃপক্ষ। আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল প্রতিষ্ঠান হিসেবে হোলসিম শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ ও সুবিধা দিয়ে থাকে।
গত বছরের শেষে হোলসিম বাংলাদেশের শতভাগ মালিকানা অধিগ্রহণের অনুমোদন পায় দেশের সিমেন্ট খাতের আরেক বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান লাফার্জ। লাফার্জ ও হোলসিমের সম্মিলিত কারখানা ইউনিট রয়েছে বর্তমানে তিনটি। এ প্রতিষ্ঠানে স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলিয়ে মোট শ্রমিক সংখ্যা ২৯১। হোলসিম কর্তৃপক্ষের দাবি, মজুরি নির্ধারণ-সংক্রান্ত শিল্প বিরোধটি মূলত অস্থায়ী শ্রমিকদের ঘিরে। তবে শ্রমিক প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, মজুরি নির্ধারণ-সংক্রান্ত দাবিটি সব শ্রমিকের জন্য।
শ্রমিক ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা জানান, হোলসিম ও লাফার্জ মিলিয়ে মোট শ্রমিক সংখ্যা ৭০০-৮০০। এর মধ্যে হোলসিমের শ্রমিক ইউনিয়নের যেমন মজুরি বৃদ্ধির দাবি রয়েছে, একই দাবি রয়েছে লাফার্জের ইউনিটগুলোর শ্রমিকদেরও।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলেও আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দিতে চাননি শ্রমিক প্রতিনিধিরা। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন শ্রমিক প্রতিনিধি বলেন, মজুরিসহ আমাদের দাবিগুলো স্থায়ী ও অস্থায়ী সব শ্রমিকের জন্য। সরকারের সহযোগিতায় আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে মালিকপক্ষ এরই মধ্যে সাত-আটটি দাবি মেনে নিয়েছে। কিছু কিছু বাস্তবায়নও শুরু হয়েছে। আশা করছি, শিগগিরই মজুরিসহ অন্যান্য দাবিও মেনে নেয়া হবে।
২০১৫ সালে পূর্বঘোষণা ছাড়াই প্রতিষ্ঠানের ৩০ কর্মীকে অব্যাহতি দেয়ার অভিযোগ ওঠে দেশের শীর্ষ সেলফোন অপারেটর গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে। এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি দেশের প্রচলিত আইন লঙ্ঘন করেছে বলে সে সময় দাবি করে প্রস্তাবিত গ্রামীণফোন এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (জিপিইইউ)। বেআইনিভাবে চাকরিচ্যুতির প্রতিবাদে পরে গ্রামীণফোন পিপলস কাউন্সিল (জিপিপিসি) ও জিপিইইউ গ্রামীণফোনের কার্যালয় জিপি হাউজে ২০১৫ সালের ১২ এপ্রিল শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করে। পরবর্তীতে গ্রামীণফোন ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসে।
এর আগে অন্যায়ভাবে কর্মী ছাঁটাইয়ের অভিযোগে ২০১১ সালে গ্রামীণফোনে কর্মীদের মধ্যে বিক্ষোভের সূচনা হয়। শ্রম অধিকার নিশ্চিত করতে পরের বছরের মাঝামাঝি গঠন করা হয় জিপিইইউর ২১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি। পরবর্তীতে জিপিপিসি নির্বাচনের উদ্যোগ নেয় গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষ।
সাম্প্রতিক সময়ে গ্রামীণফোন আইটির সিংহভাগ মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান অ্যাকসেঞ্চারের কর্মীকে অব্যাহতির ঘটনায় অসন্তোষ দেখা দেয়। এ নিয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অভিযোগ যায়। টেলিকম খাতের গুরুত্ব বিবেচনায় দ্রুততার সঙ্গে তা সমাধানের উদ্যোগ নেয়া হয়। তিনটি বৈঠকে আলোচনার মধ্য দিয়ে বিরোধটি নিষ্পত্তি হয়।
যোগাযোগ করা হলে প্রস্তাবিত জিপিইইউর সাধারণ সম্পাদক মিয়া মো. শফিকুর রহমান মাসুদ বলেন, বাংলাদেশে বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোয় আগে যারা কাজ করতেন, তারা শ্রম অধিকার নিয়ে খুব বেশি সচেতন ছিলেন না। এছাড়া বিদেশী বিনিয়োগকারী হিসেবে বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে স্বাভাবিকভাবেই সরকারের ভালো যোগাযোগ থাকে। এ যোগাযোগ কাজে লাগিয়ে তারা শ্রম অধিকার সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করত না। বর্তমানে ইউনিয়ন হয়েছে, দাবি নিয়ে সচেতনতাও বেড়েছে। এখন মালিকপক্ষের সঙ্গে অনাস্থার সম্পর্ক দেখা দিচ্ছে। ফলে এখন বিরোধও বাড়ছে। এটা সমাধানে সরকার ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে শ্রম অধিকার বিষয়ে আরো বেশি যত্নশীল হওয়া প্রয়োজন।
টেলিকম খাতের আরেক বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান বাংলালিংকে কর্মী অসন্তোষ দেখা দেয় ২০১৬ সালের প্রথমভাগে। প্রাতিষ্ঠানিক পুনর্গঠনের কথা বলে ২০১৩ সালে গ্লোবাল টেলিকম হোল্ডিংয়ের (জিটিএইচ) মালিকানাধীন পাকিস্তানের মোবিলিংক প্রায় ৩০০ কর্মীকে ছাঁটাই করে। এর ধারাবাহিকতায় জিটিএইচের মালিকানাধীন বাংলালিংকেও ছাঁটাই কার্যক্রম শুরু হয়। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটিতে কর্মী অসন্তোষ দেখা দেয়। গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে বাংলালিংকের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে তার কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করার ঘটনাও ঘটে। কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মীরা।
জানা গেছে, কয়েক দফায় গত এক বছরে হাজারখানেক কর্মী ছাঁটাই করেছে বাংলালিংক। চলতি বছরের মধ্যে কর্মী সংখ্যা আরো কমিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। এ নিয়ে বাংলালিংক কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে।
প্রস্তাবিত বাংলালিংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গোলাম মাহমুদ সোহাগ বলেন, শ্রম অধিকার নিয়ে আন্তর্জাতিক আইনগুলো পুরোপুরি অনুসরণ করছে না বহুজাতিক অনেক প্রতিষ্ঠান। এ ধরনের মানসিকতা শুরু থেকেই তাদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে। অথচ আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে স্থানীয় আইনের সমন্বয়ের মাধ্যমে শ্রম অধিকার প্রতিষ্ঠা করার কথা তাদের। এজন্য তদারকির ভূমিকায় সরকারকে আরো কঠোর হতে হবে। দেশের টেলিযোগাযোগ খাতে গত এক-দেড় বছরে অসন্তোষের মাত্রা অনেক বেড়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠানই এক দশকের বেশি সময় ব্যবসা করলেও লাভজনক হচ্ছে না। এটি কর্মীদের কাছেও সন্দেহের। এ সন্দেহ থেকে অনাস্থা এবং পরে বিরোধ সৃষ্টি হচ্ছে।
এর আগে ২০১৫ সালে ছাঁটাইয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে অসন্তোষ দেখা দেয় ফুটওয়্যার খাতের বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান বাটা সু কোম্পানিতে। বিষয়টি পরে তত্কালীন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি পর্যন্ত গড়ায়।
বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে সৃষ্ট শ্রম অসন্তোষের বিষয়ে জানতে চাইলে শ্রম পরিদপ্তরের পরিচালক অতিরিক্ত সচিব আবু হেনা মোস্তফা কামাল বলেন, আগে শুধু স্থানীয় প্রতিষ্ঠান বিশেষ করে পোশাক খাতকেন্দ্রিক শিল্প বিরোধ দেখা দিত। আইন নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির পর এখন বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে মজুরিসহ বিভিন্ন বিরোধ নিষ্পত্তিতে এগিয়ে আসছে। আগে শ্রমিকরা বঞ্চিত হলেও এখন প্রাপ্য আদায়ের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। দেশীয় বা বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের শিল্প বিরোধ প্রাতিষ্ঠানিকভাবে নিষ্পত্তির এ প্রবণতা খুবই ইতিবাচক।




Loading...
সর্বশেষ সংবাদ


Songbadshomogro.com
Contact Us.
Songbadshomogro.com
452, Senpara, Parbata, Kafrul
Mirpur, Dhaka-1216


close